Lose To Gain

NEWS GRID

At the end of the day, going forward, a new normal that has evolved from generation X is on the runway heading towards a streamlined cloud solution. User generated content in real-time will have multiple touchpoints for offshoring.


Category filter:AllDiet ChartHealthNutritionOtherTrainingUncategorized
No more posts
September 18, 2018
Fit-Guide-Poster-1280x804.jpg

কাউকে একদিন মাছ ধরে খাওয়ালে তার একদিনের ক্ষুধা মিটবে , আর কিভাবে মাছ ধরতে হয় সেটি শেখালে সে তার জীবনে কোনদিন অভুক্ত থাকবে না। তাই একদম শুরুর দিন থেকে লুজ টু গেইনে আমরা সবাইকে স্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং হেলদি লাইফস্টাইল সম্পর্কে সচেতন করে আসছি। ভিডিও বানিয়ে, আর্টিকেল লিখে, সেমিনার, মিটআপ আয়োজন করে বা বিভিন্ন ধরনের কন্টেস্টের মাধ্যমে সবাইকে বেসিক টা শেখানোর চেষ্টা করে এসেছি। আজকে আমরা অনেকটাই সফল এই কাজে, তবে এমন একটা কমপ্লিট গাইডলাইন এর অভাব ছিল। এই গাইড টি লেখার পিছনে মুল উদ্দেশ্য হলঃ শূন্য জ্ঞান নিয়ে যে কেউ এটি পড়ে ডায়েটের সব বিষয়গুলো সহজে বুঝতে পারে।

 

 

 

এই গাইডটি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে এবং সামান্য উপকারে আসে, তবে অবশ্যই আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সবার সাথে শেয়ার করবেন।  আর আপনার কোন প্রশ্ন, সমস্যা থাকলে লুজ টু গেইন এ পোস্ট করুন, আমরা চেষ্টা করবো সাহায্য করার।


February 20, 2018
macro-ratio-1280x422.jpg

ডায়েট চার্ট বানাতে খাবারের নিউট্রিশন ভ্যালু আর ম্যাক্রো কোথায় পাবেন তা নিয়ে চিন্তিত?

আমাদের আপডেটেড ফুড ম্যাক্রো টি চেক করতে পারেন৷ গুগল করে সঠিক টা না ও পেতে পারেন। এটা মাল্টিপল অথেনটিক সোর্স থেকে ক্রসচেক করে বানানো৷ আশাকরি সবার কাজে আসবে। আর এটা ঠিকমত বুঝতে ফিটগাইড ইবুক টি পড়ুন।


February 8, 2018
Skinny.jpg

ওজন বাড়ানোর সম্পূর্ণ গাইডলাইন

 

ওজন বাড়ানোর জন্য যে ডায়েটিং স্ট্র্যাটেজি টা অনুসরণ করবো সেটি হল 4D ডায়েট বা 4 Day Depletion Diet।  কিভাবে করতে হবে স্টেপ বাই স্টেপ নিচে দেয়া হল। সবার সুবিধার্থে নিচে চার্ট এবং ওয়ার্কআউট প্রোগ্রাম দেয়া হলও।

প্রথম ধাপঃ প্রথমেই আপনার যে জিনিসটি জানা প্রয়োজন টা হল আপনার বিএমার এবং টিডিইই কত তা জানা। এটি জানতে হলে আপনাকে আমাদের ওয়েবসাইটে যেতে হবে, সেখানে টুলস থেকে বের করতে হবে। নিচে টুলস এর লিঙ্ক দেয়া হল।

বিএমার এবং টিডিইই বের করার লিঙ্কঃ www.losetogainbd.com/tools

দ্বিতীয় ধাপঃ আপনার বিএমার এবং টিডিইই যানা থাকলে আপনি এর পরের ধাপে যেতে পারবেন।

 

ধরে নিলাম আপনার বিএমআর ১৪০০ ক্যালরি। এখন আপনার ডায়েট কেমন হবে?

 

·       প্রথম দিনঃ ১৪০০ ক্যালরির ডায়েট ফলো করবেন + হেভি ওয়ার্কআউট করবেন ১-১.৫ ঘন্টা।

·       দ্বিতীয় দিনঃ BMR/2 অর্থাৎ  ৭০০ ক্যালরি ফলো করবেন +হেভি ওয়ার্কআউট করবেন ১-১.৫ ঘন্টা।

·       তৃতীয় দিনঃ ফুল বডি ডিপ্লিশন ওয়ার্কআউট করবেন প্রথমে তারপর খাওয়া শুরু করবেন। তৃতীয় দিন BMR * 3 অর্থাৎ ১৪০০*৩ = ৪২০০ ক্যালরি ফলো করবেন। এই ৪২০০ ক্যালরির ১৪০০ ক্যালরি কার্ব ড্রিংক (গ্লুকোজ) বা প্রোটিন শেইক থেকে আসবে। বাকিটা ভাত রুটি এসব থেকে। অনেক খাবারের কারণে প্রতি ২ ঘন্টায় একটা মিল নেবার চেষ্টা করবেন।

·       চতুর্থ দিনঃ BMR* 2 অর্থাৎ ১৪০০*২ = ২৮০০ ক্যালরি ফলো করবেন, কোন ওয়ার্কআউট নাই এদিন।

 

এভাবেই ৪ দিনের সাইকেল চলতে থাকবে অর্থাৎ ৪ টা চার্ট একটার পর একটা ফলো করবেন চারদিন পর আবার বিএমআর থেকে শুরু করবেন। এভাবেই চলতে থাকবে ……

 

 

জরুরি কিছু তথ্য যা আপনার জানা দরকার

·       ৪ দিন ই প্রোটিন এবং ফ্যাট ফিক্সড থাকবে। শুধু কার্বোহাইড্রেট বাড়বে। নিজের ওজনের সাথে ১.৫ গুন দিয়ে যতগ্রাম প্রোটিন ঠিক ততটা খাবেন। আর হেলদি ফ্যাট ৩০-৪০ গ্রাম রাখবেন, ফিসওয়েল, বাদাম, অলিভ, কোকনাটঘি, বাটার এসব থেকে আসবে।

·       হেভি ওয়ার্কআউট বলতে শুধুমাত্র রেসিস্টেন্স বা স্ট্রেন্থ ট্রেনিং বোঝানো হয়েছে, কার্ডিও না, তারমানে ট্রেডমিলে দৌড়ানো, হাঁটা, স্কিপিং বা সাইকেলিং টোটালি বাদ। জিম এক্সেস থাকা খুবই জরুরি হেভি লিফট করার জন্য। ১ থেকে দেড় ঘন্টা করলেই যথেষ্টও।

·       Full Body Depletion Workout লিখে ইউটিউবে সার্চ দিলে অনেকগুলা পাবেন। তৃতীয় দিনের শুরু করতে হবে এ ধরনের ওয়ার্কআউট করার পর খাবার লোড শুরু করতে হবে অর্থাৎ খাওয়া শুরু করতে হবে আমি কিছু ভিডিও লিঙ্ক দিয়ে দিব।

·       এটা কনটেষ্ট প্রিপারেশন বা ফটোশ্যুট করার আগে যে ডিপ্লিশন ডায়েট করা হয় সেটা নয়।

·       ডিপ্লিশন বলতে মাসল গ্লাইকোজেন ডিপ্লিট করা বোঝানো হয়েছে।

·       অপ্রয়োজনীয় মুভমেন্ট বন্ধ করবেন, পায়ে হেটে যাবার চেয়ে গাড়ি ঘোড়া ব্যবহার করবেন।

·       ঘুম খুবই জরুরি, তাই যেভাবেই হোক দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানর চেষ্টা করবেন।

 

 

যারা আন্ডারওয়েট তাদের বেশিরভাগ মানুষের প্রধান সমস্যা হল ক্ষুধা না থাকা, এই স্ট্র্যাটেজি অনুসরণ করলে ক্ষুধা বাড়বে। ওয়ার্কআউট করা জরুরি , ফলাফল দিগুণ হবার সম্ভাবনা আছে। না করলেও ফলাফল আসবে তবে কম। নিচে আমি ওয়ার্কআউট এর লিঙ্ক দিলাম সেগুলো অনুসরণ করবেন অথবা নিজের মত খুঁজে নিবেন।

 

 ওয়ার্কআউট 

যাদের জিম এক্সেস আছে তারা নিচের ভিডিও দেখে Body Space অ্যাপ টি নামায়ে নিবেন এবং ভিডিও তে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী High Intensity Volume Training (HIVT) প্রোগ্রামটি অনুসরণ করবেন।

যাদের জিম এক্সেস নাই তারা নিচের ভিডিও দেখে রোজ ৩০-৪৫ মিনিট রেজিস্টেন্স ট্রেনিং ওয়ার্কআউট টি করবেন।

এবার নিচের ভিডিও দেখে ফুল বডি ডিপ্লিশন ওয়ার্কআউট করবেন। কারো যদি জিম এক্সেস না থাকে সেক্ষেত্রে নরমালি উপরের রেজিস্টেন্স ট্রেনিং ওয়ার্কআউট টি করবেন। এটিও ৩০-৩৪ মিনিট করতে হবে।

ডায়েট চার্ট

 

ডায়েট চার্ট টি নিচের লিঙ্ক এ ক্লিক করে ফর্ম টি পুরন করে নামিয়ে নিন। ফর্ম পূরণের সাথে সাথে একটা ডাউনলোড লিঙ্ক পাবেন। একবার মিস করলে আবার ফর্ম পুরন করতে হবে।

https://goo.gl/forms/7NqW2nw7o6EflnXa2

 

বি.দ্র. চার্ট টি পিডিএফ ফরম্যাটে দেয়া , তাই অবশ্যই আপনার ফোনে অথবা কম্পিউটারে পিডিএফ ওপেন করার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার যেন থাকে টা খেয়াল রাখবেন।

** যাদের ডায়াবেটিক এর সমস্যা আছে তারা এই গাইডলাইন অনুসরণ করবেন না।

 

এখনো কফিউজড? কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে করুণ।

গ্রুপ লিঙ্কঃ  www.facebook.com/groups/losetogainbd

আর আপনি যদি আমাদের ইন্টারন্যাশনালি সার্টিফাইড মেন্টরদের পার্সোনাল গাইডেন্স চান সেক্ষেত্রে আমাদের ফেসবুক পেইজে যোগাযোগ করুণ।

ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ www.facebook.com/losetogainbd

আমাদের প্রিমিয়াম সার্ভিস সম্পর্কে জানতেঃ www.losetogainbd.com/our-plans

 

 

Writer

Sajedur Rahman

ISSA Certified Fitness Nutrition Specialist


October 3, 2017
Breast-Shagging.png

মেয়েদের স্তনের আকার ও আয়তন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হয়। এর মধ্যে কিছু কারণ থাকে প্রাকৃতিক আর কিছু অভ্যাসজনিত। বিষয় টি নিয়ে কথা বলতে সবাই  বিব্রত হলেও খুবই প্রয়োজনীয় একটি টপিক ।

ব্রেস্ট খুব বড় হলে সেটাও একটা সমস্যা , সাধারণত ৩৪/৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড স্তন বা ব্রেস্টের সাইজ। যদি ব্রেস্টের মাপ ৩৮ ও হয়, তাতেও সমস্যা নেই। যদি আপনি স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্টের মাপের চেয়ে ছোট করতে চান, তবে তা দেখতে বেমানান লাগবে।

ব্রেস্ট বড় হওয়া কমাতে ওজন নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন সবার আগে ।  মেয়েদের ব্রেস্ট টিস্যুর ৯০% হলো ফ্যাট। তাই শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট ছোট করা যায়। তবে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য শুধুমাত্র ব্রেস্টকেই টার্গেট করা যাবে না। তাই ব্রেস্ট ছোট করার ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো শরীরের প্রতি নজর দিতে হবে, যা আপনার ব্রেস্ট ছোট করতে সাহায্য করবে। তাই ফিগার মেনটেইন করতে হবে আগে।


September 20, 2017

বাজারে বিভিন্ন ওজন কমানোর ওষুধ/সাপ্লিমেন্ট দেখি আমরা। সায়েন্স এর মতে সেগুলোর কোন কার্যকারীতা নেই। তারপরেও কাজ করে কিভাবে তা আমরা আজকের ভিডিওতে জানবো। আরও জানবো ওজন কমাতে প্লাসিবো কিভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে।


September 20, 2017
8.-Gym-skip-1280x851.jpg

এক লাইনে যদি উত্তর চান তবে বলো হ্যা আবার মোটা হয়ে যাবেন।

একটা ছোট উদাহরন দিয়ে বোঝাই। আমাদের শরিরের সাথে কার বা গাড়ির অদ্ভুত সাদৃশ্য আছে।

ধরে নেন আপনার একটা কার আছে। সেটা থেকে বেষ্ট পারফর্মেন্স পেতে হলে আপনাকে কারের মেইন্টেনেন্স ঠিকমত করতে হবে। রুটিন মাফিক ইঞ্জিন মেরামত করতে হবে। এখন আপনার একদিন মনে হল, আচ্ছা রোজ তো পেট্রোল দিয়ে কার চালাই। বেচারা কারের ও তো মন আছে। একদিন পেট্রোলের বদলে কোকাকোলা বা পানি খাওয়াই। নতুন টেষ্ট পেলে বেচারা খুশি হবে, আরও ভাল পারফরমেন্স দিবে। সত্যি কি দিবে?


September 20, 2017
18.-Kitogenic-Diet.jpg

কিটোজেনিক ডায়েট হল সুপার লো-কার্ব ডায়েট। এই ডায়েটে কার্ব এক্সট্রীম লেভেলে কম থাকবে আর ফ্যাট অনেক হাই থাকবে আর প্রোটিন মিড লেভেলে থাকবে। টিপিক্যাল কিটোজেনিক ডায়েটে কার্ব ৫%, প্রোটিন ২৫% আর ফ্যাট ৭০% থাকে টোটাল ক্যালরিক নিডের। মানে আপনি সারাদিন যতটা খাবার খাবেন তার মধ্যে খাবারের পার্সেন্টেজ এমন হবে।আমাদের নরমাল ডায়েটে ৫০% কার্বোহাইড্রেট থাকে, ২০% প্রোটিন আর ৩০% ফ্যাট থাকে। এই পার্সেন্টেজের হিসাবটা আরও সহজে বুঝাই। ধরা যাক আপনি ১২০০ ক্যালরি খাবেন সারাদিনে। তার ৫০% পার্সেন্ট কার্ব মানে আপনাকে ৬০০ ক্যালরির কার্ব খেতে হবে।


September 20, 2017
11.Green-Tea-1280x853.jpg

গ্রীন টি আর আমরা রেগুলার যে চা খাই দুটাই একই গাছ থেকে তৈরি হয়। গ্রীন টি সবচেয়ে কম প্রসেস করা হয় তাই এতে উপকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমান অনেক বেশি আর ব্ল্যাক টি র চেয়ে ক্যাফেইন অনেক কম। ওলং টা গ্রীন আর ব্ল্যাক টি এর মাঝামাঝি। সেটা নিয়ে আলাদা পোস্ট করবো। আজকে কথা বলবো বিভিন্ন রকমের গ্রীন টি নিয়ে।

1.Long Jing যেটা Dragonwell Green Tea নামেও পরিচিত। এটি চাইনার চা এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় গ্রীন টির মধ্যে একটা।

2. Japanese Sencha- এটি জাপানের রেগুলার গ্রীন টি এবং জাপানে ধুমায়ে খাওয়া হয় এবং বহির্বিশ্বেও ভাল চাহিদা।

3. Matcha– এটি পাউডার জাপানিজ গ্রীন টি। এটি জাপানের চা উৎসবে খুব ইউজ হয়। ম্যাচা গুড়া বিভিন্ন খাবার, ডেজার্ট এ ব্যাবহার করা হয়। আইসক্রীম ও বানানো হয়। আমি দু তিনবার ম্যাচার ছবি পোস্ট দিসি গ্রুপে। সবাই জিজ্ঞেস করছে এত সবুজ কেন।

4.Genmai Cha যা পপকর্ন চা নামেও পরিচিত।এটা আসলে Sencha যা প্যানে ভাজা হয় সাথে ব্রাউন রাইস মিক্স থাকে মানে চালভাজা 😂

আপনি নিচের লিংকে গিয়ে চায়না, জাপানের সব গ্রিন টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

http://teadiscussion.com/types/green-tea-types.php

এত রকমের গ্রীন টি দেখে মাথা ঘুরাচ্ছে তো। কোনটা বেস্ট? আসলে সবগুলোই ভাল। এটা জেনে রাখা ভাল যে উচ্চমানের গ্রীন টির মেয়াদ ৬ মাসের বেশি হয় না। যদি কোন গ্রীন টি খুব বাজে টেস্ট হয় তাহলে বুঝতে হবে খুব ফ্রেশ না। পাউডার গ্রীন টিন বা লুজ গ্রীন টিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর পরিমান বেশি থাকে টি ব্যাগের তুলনায়। লুজ চা তে গোটা পাতা থাকে, এবং বড় বড় পাতার টুকরা থাকে এবং ফ্রেশ আর স্টোরেজ লাইফ কম। অন্যদিকে টি ব্যাগে ছোট ছোট চা পাতার টুকরা থাকে, যা খুব জলদি লিকার ছাড়ে তবে স্বাদ এবং স্বাস্থ্যকর উপাদান কম থাকে। টি ব্যাগ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করা যায় তাই এটাকে খুব ফ্রেশ বলা চলেনা এবং স্বাস্থ্যকর উপাদান কম। তবে কিছু বেনিফিট তো অাছেই। লুজ টা সম্ভব না হলে এটাতেই কাজ চালাতে হবে।

তাহলে কোন চাইনিজ বা জাপানিজ গ্রীন টি কিনবেন? এটা আপনার নিজের স্বাদের উপর নির্ভর করে। তাই সবগুলা একটু করে টেস্ট করবেন যেটা ভাল লাগবে সেটা কনটিনিও।

এখন কেন আপনি রোজ গ্রীন টি খাবেন? আর উপকারিতা কি?

গ্রীন টি তে আছে Epigallocatechin Gallate সংক্ষেপে EGCG. এটি গ্রীন টির একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট যা বিভিন্ন প্রকারের রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে, বিশেষ করে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে। এটি একটি ন্যাচরাল মেডিসিন।

১.গ্রীন সুপার ফ্যাট ফাইটার এবং ওজন কমাতে সহয়তা করে। এর EGCG বডির ফ্যাট বার্নিং এর হার বাড়িয়ে দেয়। বডির মেটাবলিক রেট বাড়ানোর জন্য এক্সপার্টরা দিনে মিনিমাম তিন কাপ রেকমেন্ড করে। যেনে রাখা ভাল, গ্রীন টি মেটাবলিজম রেট মাত্র ৪% বাড়ায় যা দিনে ৮০ ক্যালরি বার্ন করে। তাই শুধু মাত্র গ্রিন টি খেলেই ওজন কমবে না, ওজন কমানো, রেগুলার এক্সারসাইজ আর হেলদি ডায়েটের উপর নির্ভরশীল। আর গ্রিন টি হেলদি ওয়েট মেইন্টেনে সহায়তা করে সাথে অল্প হলেও তো কিছু ক্যালরি বার্ন করছে।

২.দ্বিতীয় উপকারিতা শুনে খুশি হবেন। তা হল গ্রীন টি ভুড়ি কমাতে সাহায্য করে 😂 গ্রিন টি তে থাকা EGCG পেটে ফ্যাট বার্নিং জিন একটিভেট করে যা ওয়েট লুজের হার ৭৭% বাড়ায়। তাই ভুড়ি কমাতে রেগুলার গ্রীন টি খাইতে হবে।

৩. গ্রীন টি পেটের সমস্যা দুর করে এবং হজমে সাহায্য করে। তাই কখন হঠাৎ বেশি খেয়ে অসস্থি লাগলে গ্রিন টি খেতে পারেন।

৪.আরেকটা কারন হল গ্রীন টি তে থাকা থিয়ানাইন এবং এমিনো এসিড আপনাকে রিল্যক্স এবং ফোকাস থাকতে সহায়তা করে এবং গ্রীন টি স্ট্রেস কমায়। তাই যখন দুঃচিন্তাগ্রস্ত থাকবেন তখন এককাপ গ্রীন টি খাবেন, এটি আপনাকে স্বাভাবিক হতে সাহায্য করবে।

৫. পঞ্চম কারন হল গ্রীন টি আমাদের ব্লাড সুগার লেভেল ব্যালান্স করে আমাদের এনার্জি স্ট্যাবল রাখতে সাহায্য করে। এটি ব্লাড সুগার বাড়তে বা কমতে বাধা দেয়। যার ফলে বিরক্তি ভাব কমে এবং গ্রীন টি ক্ষুধা কমায়। গ্রিন টি পানকারিদের ক্ষুধার উপর কন্ট্রোল থাকে যা বেশি না খেতে সাহায্য করে। তাই আপনি যদি সেসব মানুষগুলোর একজন হয়ে থাকেন যাদের পেট ভর্তি থাকার পরও ক্ষুধা থাকে বা খাবাবের প্রতি চাহিদা থাকে। তারা রেগুলার গ্রীন টি খাওয়া শুরু করেন আপনার রেগুলার মিলের পাশাপাশি।

৬. রেগুলার গ্রীন টি আপনার আয়ু বাড়াবে এবং আপনাকে ইয়াং দেখাবে। গ্রীন টি তে থাকা EGCG ভিটামিন E এর থেকে ২০০% বেশি কার্যকর স্কিন ড্যামেজ করা সেল ধ্বংস করার ক্ষেত্রে। যাইহোক কথা হল রেগুলার বেসিসে গ্রিন টি খেলে স্কিন ড্যামেজ, রিংকেল এবং চেহারা থেকে বয়সের ছাপ কমায়। আর এশিয়ানদের (চায়না, জাপান, কোরিয়া) ঝকঝকে তকতকে চেহরার রহস্য হইলো তাদের রেগুলার গ্রীন টি খাবার অভ্যাস। চিরসবুজ থাকতে হইলে সবুজ চা খাইতে হবে।

৭.আপনি হয়তো জানেন না গ্রিন টি দাতের জন্য ভাল এবং এটি মুখের গন্ধ দুর করে। যেখানে কফির কারনে মুখে গন্ধ হয় সেখানে গ্রীন টি তার পুরা বিপরীত। গ্রীন টি তে প্রাপ্ত এন্টিব্যাকটেরিয়া এবং ন্যাচরাল ফ্লোরাইড সেসব ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে যার ফলে ক্যাভিটি, মাড়ির সমস্যা এবং মুখের গন্ধ সৃষ্টি হয়। তাই আপনি আপনার কফিকে রিপ্লেস করে গ্রীন টি খেতে পারেন।

৮. গ্রীন টি ক্যান্সারের ঝুকি কমায়। অনিয়ন্ত্রিত সেল বৃদ্ধির কারনে ক্যান্সার হয়ে থাকে। EGCG ক্যান্সার সেলের বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।

৯. গ্রীন টি রক্তে খারাপ কোলেস্ট্রল (LDL) কমায় এবং ভাল কোলেস্ট্রল (HDL) বৃদ্ধি করে।এর ফলে এটি Cardiovascular Disease হতে দেয় না। যা এখন আমেরিকাতে মৃত্যুর প্রধান কারন।

তো এখন যেহেতু গ্রিন টি এর বেনিফিট গুলো জেনে গেলেন। তো সর্বোচ্চ ফলাফল পেতে সারাদিনে কত কাপ খাওয়া উচিত?

এটা নিয়ে অনেক মতবিরোধ আছে। কারও মতে ২ কাপ, কেউ ৫ কাপ কেউবা ১০ কাপ পর্যন্ত বলসে। তবে ৩-৫ কাপ খাওয়া সেফ। এবং হ্যা গ্রীন টি তে ক্যাফেইন আছে যা কফির তুলনায় অনেক কম। এক কাপ গ্রীন টি তে ৩৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে যেখানে কফিতে ১০০-২০০ মিলিগ্রামের মত ক্যাফেইন থাকে। কারও যদি ক্যাফেইনে সমস্যা থাকে তবে সে দিনে এককাপ খেতে পারে।

তো কিভাবে গ্রীন টি বানালে ম্যাক্সিমাম ফ্লেভার পাওয়া যাবে। পানি ফুটিয়ে চুলা অফ করবেন। তারপর ১ কাপ পরিমান পানিতে ১ চা চামচ গ্রীন টি দিয়ে ২-৩ মিনিট লিকার ছড়াতে সময় দিন। তারপর ছেকে খেয়ে ফেলুন। যদি আপনি গ্রিন টি ফুটান তবে এটা তিতা হবে আরও।গ্রিন টি আপনি ঠান্ডা গরম দু অবস্থা তে খাইতে পারবেন। আপনি ফ্লেভার দিতে চাইলে লেবু চিপে দিতে পারেন বা আদা। তবে যাই করেন গ্রীন টি তে দুধ মেশাবেন না। দুধ গ্রীন টি এর উপকারিতা নষ্ট করে দেয় এবং এটা যথেষ্ঠ অদ্ভুত ব্যাপার। যদি সর্বোচ্চ ফলাফল পেতে চান তবে গ্রিন টি তে কোন আর্টিফিশিয়াল সুইটনার বা চিনি মেশাবেন না। গ্রীন টি এমনিতেই হেলদি সাথে কিছু মিক্স করার দরকার নাই। আর বড় কথা হল গ্রীন টিতে কোন ক্যালরি নাই।

শেষ কথা হল, গ্রিন টি আপনি শুরু করলে তারপর কয়েক মাস খেয়ে ছেড়ে দিবেন এমন যেন না হয়। গ্রিন টি থেকে ম্যাক্সিমাম হেলথ বেনফিট পাবার জন্য রেগুলার গ্রিন টি খেতে হবে।

 

 

Written By

Sajedur Rahman

ISSA Certified Fitness Nutrition Specialist


September 19, 2017
16.Sugar-Cravings.jpg

ডায়েট করতে যেয়ে সব চেয়ে বড় যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় , তা হলো সুগার ক্রেভিংস !!

অনেকেই দেখেছি খুব স্টির্ক্টলি ডায়েট করছেন, সব মেনে চলছেন, কিন্তু হটাৎ একদিন এই সুগার ক্রেভিংস এর জন্য এমন কিছু খেয়ে ফেললেন বা এতো বেশি খেয়ে ফেললেন যা উনার সেই কষ্ট গুলো মূল্যহীন করতে যথেষ্ট . 


September 19, 2017
15.Emotional-Eating-.jpg

আমরা আমাদের জীবনের অনেকগুলা বছর পার করি উল্টা পাল্টা খাওয়া দাওয়া করে। এমনকি আমিও তার ব্যাতিক্রম ছিলাম না কখনো। আশেপাশের মানুষজন, আত্বীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সবাই একটাই কথা তখন বলে “এটাই বয়স বেশি খাওয়ার, এখন খেলে কিছুই হবেনা, সব হজম হয়ে যাবে, এই বয়সে লোহা খেয়েও হজম করে ফেলা যায়” আসলেই কি তাই?