Lose To Gain

মেয়েদের ব্রেস্টের আকৃতি ও সৌন্দর্য রক্ষায় করনীয়

October 3, 2017by Sajedur Rahman2
Breast-Shagging.png

মেয়েদের স্তনের আকার ও আয়তন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হয়। এর মধ্যে কিছু কারণ থাকে প্রাকৃতিক আর কিছু অভ্যাসজনিত। বিষয় টি নিয়ে কথা বলতে সবাই  বিব্রত হলেও খুবই প্রয়োজনীয় একটি টপিক ।

ব্রেস্ট খুব বড় হলে সেটাও একটা সমস্যা , সাধারণত ৩৪/৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড স্তন বা ব্রেস্টের সাইজ। যদি ব্রেস্টের মাপ ৩৮ ও হয়, তাতেও সমস্যা নেই। যদি আপনি স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্টের মাপের চেয়ে ছোট করতে চান, তবে তা দেখতে বেমানান লাগবে।

ব্রেস্ট বড় হওয়া কমাতে ওজন নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন সবার আগে ।  মেয়েদের ব্রেস্ট টিস্যুর ৯০% হলো ফ্যাট। তাই শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট ছোট করা যায়। তবে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য শুধুমাত্র ব্রেস্টকেই টার্গেট করা যাবে না। তাই ব্রেস্ট ছোট করার ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো শরীরের প্রতি নজর দিতে হবে, যা আপনার ব্রেস্ট ছোট করতে সাহায্য করবে। তাই ফিগার মেনটেইন করতে হবে আগে।

ব্রেস্ট খুব ছোট সেটাও আরও বড় একটা সমস্যা–মেয়েদের জন্য ব্রেস্টের কিছু স্পেশাল ব্যায়াম আছে যেমন: বেঞ্চ প্রেস, বাটারফ্লাই প্রেস, পুশ-আপ (বুকডাউন) নিয়মিত এগুলো করে স্তনের টিস্যুতে ব্লাড ফ্লো বাড়াতে হবে। এতে বুকের পেশিগুলো সঠিক শেপে এসে স্তনকে সুগঠিক করবে। এটা অনেকটা বডিবিল্ডাররা যেভাবে শরীরের পেশি বৃদ্ধি করে, সেভাবে কাজ করবে।

ব্রেস্ট স্যাগিং বা স্তন ঝুলে পড়া

এটা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এদেশের বেশিরভাগ মহিলাই এই সমস্যার মুখোমুখি হন। নানা কারণে এই স্যাগিং হয়। তবে এই বিষয়ে সচেতন থাকলে এবং দৈনন্দিন জীবনে কিছু জিনিস মেনে চললে, এই সমস্যার মোকাবিলা করা যায়। নারীদের স্তনের আকার বা আয়তন পরিবর্তনের কারণগুলো এখানে দেওয়া হলো-

 

  •  মেয়েদের শরীর নানা পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যায় এবং এক একটি পর্যায়ে স্তনের আকার-আয়তন একেক রকম থাকে। কিন্তু মেয়েদের লাইফস্টাইলের জন্যেও স্তনের আকারে বদল আসতে পারে।
  •  পিরিয়ডের দুটি পর্যায় থাকে— ফলিকিউলার ও লিউটিয়াল। একটি পিরিয়ড শেষ হওয়ার ঠিক পরের পাঁচ-সাতদিন, মেয়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা অনেক কমে যায়। মাসের এই সময়টায় স্তনের ওজন সবচেয়ে কম থাকে।
  •  লিউটিয়াল পর্যায়ে অর্থাৎ পিরিয়ড হওয়ার ঠিক আগে আগে, স্তনে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের মাত্রাও বাড়ে। ফলস্বরূপ এই সময়ে স্তন অনেকটা বেশি ভারী লাগে।
  • গর্ভধারণের সময়ে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন দেখা যায় স্তনে। স্তন্যদানের জন্য এই সময় প্রকৃতি শরীরকে তৈরি করে। এ সময় স্তনের আকার-আয়তন তো বাড়েই, দুগ্ধগ্রন্থি সক্রিয় হওয়ায় স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ভারীও হয়ে যায় স্তন।
  • যৌনতার সময়েও স্তন স্ফীত হয়। যৌন উত্তেজনার ফলে রক্তচাপ এবং হার্ট রেট দুই’ই বাড়ে। এর ফলে স্তন স্ফীত হয় ও স্তনের শিরাগুলি আরো বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
  • মেনোপজের পরে শরীরে ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ অনেক কমে যায়। তাই এই সময়ে স্তনের কাপ সাইজ কমে যাওয়ার কথা। কিন্তু আদতে তা হয় না। দেখা গেছে, বরং হরমোনের মাত্রার পরিবর্তনের ফলে শরীরের মাঝামাঝি অংশে অতিরিক্ত ফ্যাট জমতে থাকে। ফলে স্তনও ভারী হয়।
  • গর্ভনিরোধক পিলে ইস্ট্রোজেন থাকে। যারা নিয়মিত এই পিল খান, তাদের স্তনের আকার-আয়তন দুটিই অনেকটা বেড়ে যায়।
  • বেশ কিছু এক্সারসাইজ রয়েছে যা নিয়মিত করলে স্তনের কাপ সাইজ বেড়ে যায়। তবে তা ছাড়া সাধারণ ফ্রি-হ্যান্ডে খুব একটা পরিবর্তন হয় না স্তনের আকারের।কিছু কিছু ডিপ্রেশনের ওষুধ রয়েছে যা দীর্ঘদিন ধরে খেলে স্তন ফুলে যায় এবং অনেক সময়ে ব্যথাও হতে পারে।
  • কারো কারো স্তনবৃন্ত থেকে দুধের মতো ক্ষরণও হয়। এই সময় স্বাভাবিকভাবেই স্তনের আয়তন বাড়ে। তবে ওষুধ বন্ধ করে দিলে স্তনের আয়তন আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।
  • যৌনতার সময়ে খুব বেশি স্তনমর্দনেও স্তনের আয়তন বেড়ে যায়। অনেক সময়ে এই কারণে অল্পবয়সী নারীদের মধ্যেও ব্রেস্ট স্যাগিংয়ের সমস্যা দেখা যায়।
  • যে কোনো ব্রেস্ট ইমপ্লান্ট সার্জারির মাধ্যমে স্তনের আকার বাড়ানো যায়। আবার কিছু আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে মাসাজের মাধ্যমেও বাড়ানো যায় স্তনের আকার-আয়তন, তবে তা সময়সাপেক্ষ।  এছাড়া ব্রেস্ট বড় করার জন্য ব্রেস্ট ইমপ্লান্ট সার্জারী রয়েছে। এটি ন্যাচারাল নয় বলে না করাই ভালো এবং এ পদ্বতিটি ব্যয়বহুল।

 

স্তনের গঠন ঠিক রাখার ১১ টি উপায়

১. ম্যাসেজ: স্যাগিং আটকাতে নানা ধরনের ম্যাসেজ রয়েছে। অয়েল ম্যাসেজের মধ্যে পড়ে অলিভ অয়েল, কোকোনাট অয়েল, স্পিয়ারমিন্ট অয়েল ইত্যাদি। এছাড়া স্যাগিং প্রতিরোধে সবচেয়ে ভাল আইস ম্যাসেজ । কয়েকটি আইস কিউব নিয়ে স্তনের চারপাশে বৃত্তাকারভাবে ম্যাসেজ করুন অথবা একটি জিপলক ব্যাগে কুচো বরফ নিয়ে এইভাবে মাসাজ করুন। সপ্তাহে দু’তিনবার এই ম্যাসেজ করতে হবে। এতে স্তনের আশপাশের কোষে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ও স্তনের শেপ সুন্দর রাখতে সাহায্য করে।

 

২.ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন: দেহের একটি নির্দিষ্ট ওজন বজায় রাখুন। ক্রমাগত মোটা এবং রোগা হলে, ত্বকের ইলাস্টিসিটি কমে যায় এবং স্তন ঝুলে পড়ে।

 

৩.প্রচুর পানি খান: ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখার প্রধান উপায় শরীরের প্রচুর পরিমাণ পানির সরবরাহ। প্রতিদিন অন্তত ৪ লিটার পানি খান। তার বেশি খেতে পারলে তো কথাই নেই।

 

৪. খারাপ অন্তর্বাস ত্যাগ করুন:ব্রা-এর শেপ, ফিটিং এবং সাইজের উপরও নির্ভর করে স্যাগিং। দীর্ঘদিন ধরে ঠিক সাইজের ব্রা না-পরলে, ফিটিংস আলগা হলে বা কাপ সাইজ ঠিকঠাক না-হলে স্যাগিং হয়। তাই অন্তর্বাস কেনার সময় সতর্ক থাকুন। ভাল ব্র্যান্ডের প্যাডেড ব্রা পরা ভাল আর যাঁদের ইতিমধ্যেই স্যাগিং হওয়া শুরু হয়েছে তাঁদের আন্ডারওয়্যার ব্রা পরা উচিত। ভালো ব্র্যান্ডের প্যাডেড ব্রা পরলে শরীর ও ব্রেস্ট দুই’ই ভাল থাকে।

৫. বেশি করে প্রোটিন খান: শরীরে প্রোটিনের পরিমাণ কম থাকলে বুকের চারপাশের মাংসপেশিগুলি আলগা হতে থাকে। তাই রোজ অন্তত ১০০ গ্রাম প্রোটিন খেতে হবে। কোনও বিশেষ রোগ থাকলে, কী ধরনের প্রোটিন খাবেন, তা নিয়ে ডাক্তার বা একসপারট  নিউট্রিশনিসট  পরামর্শ নিন।

 

৬. বেদানার রস : অ্যান্টি-এজিংয়ে সবচেয়ে উপকারী ফল বেদানা। রস করে খাওয়াই ভাল কারণ বেদানা ভিটামিন বি ফাইভ এবং সি, পটাশিয়াম, পলিফেনল প্রভৃতি উপাদানে সমৃদ্ধ যা ত্বকের স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্য বাড়ায়। এটি ইলাজিক এসিড এবং এ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎকৃষ্ট উৎস যা ফ্রি র‍্যাডিক্যাল ধ্বংসে সাহায্য করে।   বেদানার বীজ থেকে নিঃসৃত তেলে যে ফাইটো-নিউট্রিয়েন্টস থাকে তা স্তনকে আঁটোসাঁটো রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের জন্য বেদানা বীজের তেলকে ‘তারুণ্যের অমৃত’ বলে অভিহিত করা হয় যাতে আছে পিউনিসিক এসিড(একটি ওমেগা ফাইভ যুক্ত ফ্যাটি এসিড) যা কোষ পুনর্গঠন ও বৃদ্ধিতে কার্যকরী। এটা বার্ধক্যকরণ প্রক্রিয়াও বিলম্বিত করে।

 

৭. ব্রেস্ট ফার্মিং এক্সারসাইজ : বেশ কিছু সাধারণ এক্সারসাইজ রয়েছে যা নিয়মিত করলে স্যাগিং প্রতিরোধ করা সম্ভব। সবচেয়ে সহজ হল পুশ-আপ। তা ছাড়া রয়েছে চেস্ট প্রেস, ডাম্বল ফ্লাইস, টি-প্লাঙ্কস, এলবো স্কুইজ ইত্যাদি। প্রত্যেকটিই প্রতিদিন আট-দশবার করলেই যথেষ্ট। আর যদি ডাম্বেল না থাকে, তবে অন্য কোনও ভারি জিনিস নিয়ে করতে পারেন এক্সারসাইজ।

 

৮. ধূমপান ত্যাগ করুন : ধূমপানের ফলে স্যাগিং হয় এটা অনেকেই জানেন না। মহিলাদের ধূমপান করতে বারণ করার পিছনে এ-ও একটি বড় কারণ।

৯. ব্রেস্ট মাস্ক : ফেশিয়ালের মতোই হল এই মাস্ক যা সপ্তাহে একবার করা উচিত স্যাগিং রোধে। ১ টেবিলচামচ টক দই, ১ টেবিলচামচ ভিটামিন-ই

অয়েল এবং ১টি ডিম ফেটিয়ে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি স্তন এবং স্তনের চারপাশে মাখিয়ে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। তার পর ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন।

 

১০. দীর্ঘক্ষণ ব্রা পড়বেন না : ফ্রান্সের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জাঁ-ডেনিস রইলোঁ ১৮ থেকে ৩৫, বিভিন্ন বয়সের প্রায় ৩০০ জন মহিলার স্তন নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘক্ষণ ব্রা পরে থাকলে মহিলাদের শারীরিক ক্ষতিই হয়। তাঁর গবেষণা বলছে, যে সব মহিলারা দীর্ঘ কয়েক বছর ব্রা না-পরে থেকেছেন, তাঁদের স্তনবৃন্ত উন্নত হয়েছে। কিন্তু পাশাপাশি এ-ও বলেছেন যে, তাই বলে ব্রা পরা একেবারেই ত্যাগ করা যায় না।

 

১১. এক্সারসাইজ এর সময় অবশ্যই সঠিক সাইজের স্পোর্টস ব্রা ব্যাবহার করবেন , এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ।

 

ব্রেস্ট শেইপ ঠিক রাখার ব্যায়াম

 

অতিরিক্ত ওজনের কারণে, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে অনেকের-ই ব্রেস্ট  এর শেইপ নষ্ট হয়ে যায়। তাই ওজন কমানোর ব্যায়ামের পাশাপাশি যদি chest muscles strengthening ব্যায়াম গুলো করা যায় তাহলে আপনি আবার আপনার ব্রেস্ট  কে সঠিক শেইপে নিয়ে আসতে পারবেন। এই ব্যায়াম গুলো করতে আপনার যা যা লাগবে-

  • বেঞ্চ, বল
  • ডাম্বেল অথবা মাঝারি আকারের পানি ভর্তি বোতল
  • চেয়ার

 

১. Aerobic এক্সারসাইজঃ

ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিন Aerobic এক্সারসাইজ করুন। অন্তত ১ ঘন্টা খুব energetic ব্যায়াম গুলো করুন আর সেটাতে কষ্ট হলে অন্তত ২ ঘন্টা ধরে হালকা ব্যায়াম exercise গুলো করুন। এর জন্য আপনি gym এ যেতে পারেন  আবার Aerobic এক্সারসাইজ এর ভিডিও ডাউনলোড করে বাসায় নিজে নিজে সেটা দেখে দেখে করতে পারেন। তাছাড়া মার্কেটেও পাওয়া যায়।

২. ডিক্লাইন পুশ-আপঃ

যতক্ষণ পারেন ডিক্লাইন পুশ আপ করতে থাকুন। ২ হাতে ভর দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। আপনার পা দুইটি একটু উঁচু স্থানে থাকবে। যেমন- অল্প উঁচু বেঞ্চ, কোন বল, সোফা, সিড়ি। তারপর হাতের উপর সমস্ত শরীরের ভর রেখে উঠার চেষ্টা করুন। এভাবে হাতের উপর ভর দিয়ে আপনার শরীর কে উপরে উঠাবেন এবং নীচে নামাবেন। প্রথম দিন খুব বেশি করবেন না। প্রথম দিন ৫ বার করতে পারেন। পরের দিন ১০ বার করবেন। এভাবে একটু একটু করে বাড়াবেন।

 

৩. ডাম্বেল পুল-ওভারঃ

২ হাত দিয়ে ডাম্বেল ধরে একটি বেঞ্চে বা অন্য কোন শক্ত জায়গায় সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন। প্রথমে আপনার হাত ২ টি ডাম্বেল সহ সরাসরি বুকের উপর বরাবর তুলে ধরবেন। আপনার বাহু ২টি সোজা থাকবে। এবার কনুই সামান্য বাঁকা করে ডাম্বেল আপনার মাথার উপর দিয়ে নামিয়ে মাথার পেছন দিকে নেয়ার চেষ্টা করুন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার হাতে কোন ব্যথা অনুভব না করেন। এরপর আবার ডাম্বেল ২ হাতে ধরে উঠিয়ে আগের অবস্থায় নিয়ে আসুন। এভাবে প্রতিদিন ১৫-২০ বার করতে থাকুন। আপনি চাইলে সময়ের সাথে সাথে ব্যায়ামটির পরিমাণ আরো বাড়াতে পারেন।

৪. Isometric চেস্ট প্রেসঃ

একটি চেয়ারে বসে পড়ুন। এবার ২ হাত বুকের সামনে এনে এক হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে অন্য হাতের আঙ্গুল রেখে সমান ভাবে এক হাত দিয়ে অপর হাতে চাপ দিতে থাকুন। এভাবে ১০ সেকেন্ড চাপ দিয়ে ২ হাত একত্রিত করে রাখুন। ৫ সেকেন্ডের জন্য হাত ২ টি ছেড়ে দিন এবং এরপর আবার আগের মত করুন। খেয়াল রাখবেন যেন আপনার chest muscle এ প্রেশার পড়ে। আপনি ২ হাতে বল ধরে বলে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেও এটি করতে পারেন।

৫. ওয়াল পুশ-আপঃ

একটি দেয়ালের দিকে মুখ করে দেয়াল থেকে ২ ফুট দূরে দাঁড়ান। আপনার ২ হাত এমন ভাবে দেয়ালে রাখুন যেন হাত আপনার কাঁধ এর সাথে সমান্তরাল অবস্থানে থাকে। হাঁটু ভাজ করবেন না। এবার বুকডন দেয়ার মত হাতের উপর ভর দিয়ে শরীর কে দেয়ালের দিকে নামান আবার ২ হাতে ভর দিয়ে আগের অবস্থানে চলে আসুন। এভাবে প্রতিদিন ১৫-২০ বার করুন। আপনি খেয়াল করবেন যেন আপনার chest muscle এ প্রেশার পড়ে।

 

৬. আর্ম সার্কেলিং:

২ হাত সামনে থেকে পেছনের দিকে ঘুরিয়ে আনুন ৫ বার। আবার পেছন থেকে সামনে ঘুরিয়ে আনুন ৫ বার। ২ হাত একসাথে না করে একবার ডান হাত তারপর বা হাত – এভাবেও করতে পারেন। প্রথম দিন ৫ বার, পরের দিন ১০ বার এভাবে বাড়াতে থাকবেন।

৭.চেস্ট ফ্লাইঃ

২ হাতে হালকা ডাম্বেল নিয়ে হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার  কনুই হালকা বাঁকা করে ডাম্বেল গুলো সহ হাত উপরে তুলে নিয়ে বুকের উপর নিয়ে আসুন একসাথে। ১০ সেকেন্ড এভাবে থেকে আবার ডাম্বেল সহ ২ হাত ২ পাশে ছড়িয়ে দিন। আবার বুকের কাছে নিয়ে আসুন। এভাবে প্রতিদিন ২০ মিনিট করবেন।

উপরের এই কয়টি ব্যায়াম নিয়মিত করতে থাকুন। প্রথম দিকে অল্প সময় করবেন এবং প্রতিদিন একটু একটু করে সময় বাড়াবেন। এতে আপনার শরীর এই ব্যায়ামে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে আর আপনার কোন ব্যথা হবেনা।

আশাকরা যায় উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো অবলম্বন পূর্বক আপনার ব্রেস্ট এর শেইপ ঠিক রাখতে পারবেন।

 

কুচকে যাওয়া চামড়া টানটান করার সহজ পদ্ধতি

 

 

  •  এলোভেরা – এটা একটা চমৎকার উপাদান ত্বক , চুল শরীর, বাহূ ও পেটের জন্য্‌ , এটার জেল ২০ মিনিট ধরে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলবেন
  • একই ভাবে গোলাপ জল কাজ করে , একটু কটনে গোলাপ জল লাগিয়ে তা নিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন  ১৫/ ২০ মিনিট পর ধুয়ে নিলেন ।
  • ডিমের সাদা অংশ ব্লেনড করে তা দিয়ে ম্যাসাজ করে রেখে দিন ২০ মিনিট পরে ধুয়ে নিন ।

প্রতিদিন  একেক টা এপ্লাই  করলে উপকার পাবেন কেননা সবগুলো  উপাদান প্রাকৃতিক গুণাবলীতে পরিপূর্ণ । এই উপাদানগুলো আপনার ত্বকের ইলাস্টিন ও কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করে ফলে প্রাক্রিতিকভাবে ত্বক হয়ে উঠে টানটান আপনার শরীর যদি রোগা হয় তাহলে ২/৩ মাস সুষম খাদ্য খায়ে শরীরটা ঠিক করেন, দুধ, ডিম, ফল একটু বেশি খেলে উপকার পাবেন। চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করবেন। শরীর বাড়ার সাথে সাথে আপনার স্তন ও বড় হবে। সাথে ব্যায়াম করবেন। ব্যায়াম না করলে শরীর আবার বেশি মোটা হয়ে যেতে পারে। শরীরের প্রতি খেয়াল রাখবেন। ঠিক মত ঘুমাবেন। ম্যাসাজটা চালিয়ে যাবেন। যদি পারেন তাহলে দিনে দুই বার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আলতো ভাবে ম্যাসাজ করবেন। আর এইসময় কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করতে হবে। নইলে ব্রেস্ট ঝুলে যেতে পারে।

 

পিঠের ও কোমরের মেদ

এসব জায়গার মেদ ঝড়াতে আপনাকে অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে। কারণ এসব  মেদ এমন এক ধরণের মেদ যা শুধুমাত্র খাবার নিয়ন্ত্রণ করে দূর করা সম্ভব নয়। তবে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই, কারণ খুব বেশি কঠিন ব্যায়াম করতে হবে না। খুব সহজ কিছু ব্যায়াম ফুল বডি ওয়রকাউট এর সাথে মিলিয়ে রেগুলার করলেই কাজ হবে সাথে সুষম খাবার এবং পিঠের মেদের খেত্রে সঠিক ব্রা ব্যবহার করবেন যেন পিঠ কে সাপোর্ট দেয় আর বাড়তি মেদ ঢেকে রাখবে ।

 

কোমরের ব্যায়াম

 

 

পিঠের ব্যায়াম

সঠিক ব্রা নির্বাচনে ব্রা’র মাপ নেয়ার সঠিক পদ্ধতি জানতে নিচের ভিডিও টি দেখতে পারেন

সঠিক স্পোর্টস  ব্রা  নির্বাচনে নিচের ভিডিও দেখুন

 

Written By

Molua Khan

NESTA Certified Fitness Nutrition Coach

by Sajedur Rahman

Hi! I am Sajedur Rahman, an International Sports Sciences Association (ISSA, USA) Certified Fitness Nutrition Specialist also INFS certified Fitness & Nutrition Expert . I have 2 years experience in health and Fitness. Having been obese myself, I decided to make a lifestyle change. I underwent a transformation myself dropping from 100 to 73 kgs(do check transformation pics) hence I am quite aware of the challenges involved in transforming to the best version of you! I decided to educate myself about fitness, human physiology, right nutrition and effective workout. My goal is to spread awareness about fitness & nutrition in Bengali. Stay connected with me, share my work. Help yourself & also help the people you care about .


2 comments

  • Tamanna Muna

    October 3, 2017 at 11:15 am

    Too much effective writing sis..thanks a lot.😃

    Reply

  • Nazmun Nur Bonny

    October 3, 2017 at 11:46 am

    Thank u 😊

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *