Lose To Gain

এক্সারসাইজ এর প্রয়োজনীয়তা

September 18, 2017by Sajedur Rahman0
12.Exercise-1280x853.jpg

অনেকের ধারনা ওজন কমানোর জন্যই এক্সারসাইজ করা প্রয়োজন। যারা ফিট তাদের তো দরকার নাই আর যারা পাতলা তাদের তো আরও প্রয়োজন নাই তারা করলে আরও শুকাবে।

শুরুর দিকে প্রায় সবারই এ ধারনা থাকে।আপনার এ ধারনা হবার কারণ হল জ্ঞান সল্পতা। প্রতিটা মানুষের দিনে এটলিষ্ট ২০-৩০ মিনিট ওয়ার্কআউট করা উচিৎ। সেখানে কেউ ৫ মিনিট ও করিনা।

ওজন কমানো, বাড়ানো আর মেইন্টেন তিনটা করতেই ওয়ার্কআউট প্রয়োজন।

কেউ যদি ওজন কমাতে চায় তার উচিৎ হবে টোটালি রেসিস্টেন্স ট্রেনিং করা মানে ওয়েট লিফটিং আর হাই ইনটেনসিভ কার্ডিও করা। নরমাল স্লো পেস কার্ডিও (হাঁটা, সাইকেলিং বা সাঁতার বা জগিং) এসবে সময় নষ্ট ছাড়া কিছুনা। কার্ডিও তে ফ্যাটের সাথে মাসল ও লস হয়। আর মাসল কমে গেলে মেটাবলিজম কমে যাবে। তখন যত তাড়াতাড়ি ওজন কমবে তত তাড়াতাড়ি বাড়বে। ওজন কমানোর জন্য ওয়ার্কআউটের চেয়ে ডায়েটে বেশি নজর দিতে হবে। ৭০-৮০% রেজাল্ট নির্ভর করবে ডায়েটের উপর। ঘন্টার পর ঘন্টা ওয়ার্কআউটের চেয়ে মুখে লাগাম দেয়া জরুরি।

ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে আপনার কার্ডিও একদম অফ রাখতে হবে। রোজ ৩০-৪৫ মিনিট সর্বোচ্চ ওয়ার্কআউট করতে হবে। ৫ মিনিট ওয়ার্মআপের জন্য কার্ডিও করতে পারেন। বাকি পুরা সময় রেসিসটেন্স ট্রেনিং করতে হবে। আর ওয়ার্কআউট করতে হবে স্লো পেসে। ওজন বাড়াতে হলে ক্যালরি বার্ন করা যাবেনা। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে বেশি করে খেলেই তো ওজন বেড়ে যাবার কথা, ওয়ার্কআউটের দরকার কি? ওয়ার্কআউট করলে বডি কিছু হরমোন রিলিজ করে। সেগুলা মাসল বিল্ড করতে ওজন বাড়াতে, শরিরের গ্রোথ বাড়াতে সাহায্য করে। শুধু খেলে যদি ওজন বাড়তো তবে আজকে অনেকে আন্ডার ওয়েট থেকে স্বাস্থ্যকর ওজনে থাকতো।

আপনি যদি ফিট থাকেন তবে দিনে ৩০-৪৫ মিনিট হাঁটা বা অন্য যেকোন এক্টিভিটিতে বডিকে কাজে লাগাতে হবে। এতেই আপনি ফিট থাকবেন।

এবার আমরা জেনে নি কার্ডিও বা রেসিস্টেন্স ট্রেনিং কি?

কার্ডিও– যে সকল ওয়ার্কআউট করা সময় আমাদের হার্টবিট বেড়ে যায় সেগুলা নরমালি সবই কার্ডিও মধ্যে পড়ে। যেমন হাঁটা, দৌড়ানে, দড়িলাফ, সাইকেলিং, সুইমিং সব। এগুলোকে এরোবিক এক্সারসাইজ ও বলে। হাই ইনটেনসিভ কার্ডিও হল সেগুলো, যেটা করলে খুবই অল্প সময়ে হার্টবিট অনেক বেড়ে যায়। যেমন দৌড়ানো বা দড়িলাফ। হাই ইনটেসিভ কার্ডিওতে মাসল ব্রেক-ডাউন হয়না। হাই ইনটেনসিভ কার্ডিও ২০ মিনিট করলে সারাদিন বডি ফ্যাট বার্ন করতে থাকে। অপরদিকে লো ইনটেনসিভ কার্ডিও, যেমন হাঁটা, জগিং বা সাইকেলিং এসব করলে ফ্যাটের সাথে মাসল ব্রেক-ডাউন হয় আর যতক্ষণ এক্টিভ থাকবেন ততক্ষণ ফ্যাট বার্ন হয়।

রেসিস্টেন্স ট্রেনিং– রেসিস্টেন্স ট্রেনিং হল সেগুলা যেটা করতে শরিরের প্রেশার দিতে হয়। যেমন পুশআপ, স্কোয়াট (উঠবস করা), বা ডাম্বেল বারবেল এসব ওজন নিয়ে ওয়ার্কআউট করা। বা কোন ওজন উঠানো এসব। রেসিস্টেন্স ট্রেনিং এ আমাদের মাসল টিস্যু ছিড়ে যায়, বডি সেটা রিকোভার করতে এনার্জি বার্ন করে। ওয়ার্কআউট করলে প্রথম দিকে যে ব্যাথা হয় সেটা টিস্যুর ব্রেকডাউনের কারণে হয়। বডি টিস্যুর ছিড়ে যাওয়া জায়গাটা কভার করতে নতুন মাসল টিস্যু তৈরি করে। এভাবে আমাদের নতুন মাসল তৈরি হয়। আর মাসল তৈরির জন্য বডি যেমন এনার্জি বার্ন করে সেটাকে প্রটেক্ট করার জন্যেও বার্ন করে।

ওজন বাড়াতে চান বা কমাতে বা মেইন্টেন করতে আপনাকে প্রথমেই ঠিক করতে হবে আপনার নিউট্রীশন। প্রোটিন সবচে গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ। এর মধ্যেই আমরা আরেকটা পোষ্ট দিব কি কি ওয়ার্কআউট করবেন তার উপর।

 

 

Written By

Sajedur Rahman

ISSA Certified Fitness Nutrition Specialist

by Sajedur Rahman

Hi! I am Sajedur Rahman, an International Sports Sciences Association (ISSA, USA) Certified Fitness Nutrition Specialist also INFS certified Fitness & Nutrition Expert . I have 2 years experience in health and Fitness. Having been obese myself, I decided to make a lifestyle change. I underwent a transformation myself dropping from 100 to 73 kgs(do check transformation pics) hence I am quite aware of the challenges involved in transforming to the best version of you! I decided to educate myself about fitness, human physiology, right nutrition and effective workout. My goal is to spread awareness about fitness & nutrition in Bengali. Stay connected with me, share my work. Help yourself & also help the people you care about .